একবার আকাশ ভেঙ্গে পড়েছিল আমাদের এই শহরে। সারাদিন সে কি তুমুল বৃষ্টি। ভিজিয়ে দিয়ে গিয়েছিল পুরো শহর। রাস্তাঘাট, গাছপালা এমনকি চাল চুইয়ে আমার বিছানা। তুমি বারান্দার জানালায় দাড়িয়ে সেই বৃষ্টি দেখছিলে। হালকা শীতের আবহ থাকায় গায়ে পাতলা চাদর চাপিয়ে, কফির গরম মগ হাতে নিয়ে তুমি দেখে যাচ্ছিলে এই শহরটিকে। স্মৃতিপটে আমি কখনো এক মুহুর্ত্বের জন্য এসেছিলাম কিনা জানিনা। কিন্তু একদিন এসেছিলাম তোমার হৃদয় মন্দিরে। খুব সন্তর্পণে সদর দরজা খুলে প্রবেশ করতে চেয়েছিলাম। ধরা পড়ে গেলাম। নির্বাসিত হলাম। বহুদিন পর আজ এই বৃষ্টি মাখা দিনে ভিজলাম দুজনই। শরীর ভিজে জবজবে অথচ মনটা মরুভূমি। আজ এই জল স্নাত দিনে যখন আমি টিনের চালায় বন্দি তখন তুমি কোন এক রাজপ্রাসাদের সৌন্দর্য বৃদ্ধিকারী কোন এক আলোকিত শোভিত আসবাব।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
তির্থক আহসান রুবেল
অদিতি, "বারান্দার জানালা" শব্দটা বুঝেছেন কিনা জানি না।.... মেয়েটির কাছে জানালাটাই বারান্দা....। তার মানে তার মুক্ত জীবন এখন ততটাই বন্দী..... যেখানে সুখ হবার কথা ছিল মুক্তির বার্তা।
অদিতি
লেখাটা আসলেই একটুকরো স্বপ্নের মত। তবে একটা হিংসার ঘ্রান পাচ্ছি। সে আসবাব হতে যাবে কেন। অনেক বেশি সুখী হতে দোষ কোথায়? সে যদি তার (নায়কের) মত নাভেবে থাকে তাহলেতো সুখী ই
ঝরা
আসলে আমার মনে হয় সেই লেখাটি ই সার্থক যেটি জীবনের কোনো কষ্ট বা সুখের কথা নিজের অজান্তেই চলে আসে মনে অনেকটা ঐশ্বরিক l লেখক লিখার আগে জানবেনা কি লিখছে দেখবেনা নিয়মমত হচ্ছে নাকি l শুধু লিখার পর দেখবে বাহ !
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।